
জহিরুল ইসলাম জয় : সাদা কাশফুলে এক অভূতপূর্ব দৃশ্যের সৃষ্টি হয়েছে খুলনার সোনাডাঙ্গা ময়ূর নদীর পাশে সোনাডাঙ্গা কেডিএ আবাসিক এলাকায় ২২০ বিগা মাঠে। শুভ্রতা ছুঁতে শত শত প্রকৃতিপ্রেমী প্রতিদিনই সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত ভিড় জমাচ্ছেন। এই ভিন্নরকম আনন্দে যোগ দিচ্ছে শিশু-কিশোর, তরুণ-তরুণীসহ বিভিন্ন বয়সের নারী-পুরুষ। ছবি আর সেলফি তুলে স্মৃতি হিসেবে ক্যামেরাবন্দি করছেন নিজেদের।
সরেজমিনে গীয়ে দেখা যায়, ঋতুরানী শরতের অপরূপ নীল আকাশে সাদা মেঘের ভেলা আর স্নিগ্ধ কাশফুল তার অপরূপ সৌন্দর্য মেলে ধরেছে। আর প্রকৃতির এমন অপরূপ সৌন্দর্য দেখতেই ছুটছেন রসিক লোকজন। এই কেডিএ আবাসিক মাঠে ক্লান্তি দূর করে চারদিকে প্রশান্তির মায়াবী আবেশ ছড়িয়ে দিচ্ছে শরতের সাদা কাশফুল। নীলচে আকাশে সাদা মেঘের খুনসুটি আর দিগন্তজোড়া কাশফুলের দোল খাওয়ার দৃশ্য মন কাড়বে যে কারো।
খুলনা দৌলতপুর থেকে ঘুরতে আসা দর্শনার্থী লিপা খাতুনের সাথে কথা হলে তিনি বলেন, মনের আকুতি পূরণে বান্ধবীদের সাথে এখানে ছুটে এসেছি। আধুনিকতার ছোঁয়ায় হারাতে বসেছে শরতের কাশফুল। একটা সময় বিভিন্ন জায়গায় কাশবনে ফুলগুলো দোল খেত মৃদু বাতাসে। এখন তেমন দেখা যায় না। তাই অনেক দিন পর এখানে কাশফুল হওয়ায় ঘুরতে এসেছি। অনেক ভালো লাগছে।
রূপসা বাইনতলা এলাকার আবুল কালাম বলেন, লোকমুখে শুনে কাশবনে পরিবারসহ ঘুরতে এসেছি। শরতের অপরূপ সৌন্দর্যময় কাশবনে এসে খুব ভালো লাগছে। গোধূলির সময় মাঠজুড়ে সবুজের সমারোহ ও সাদা কাশফুল বাতাসে দুলতে দেখে মনটা সত্যিই আনন্দে ভরে ওঠে।
ঘরবন্দি থাকতে থাকতে মন-মানসিকতা কেমন যেন হয়ে গেছে। তাই বিকালটা একটু ভালোই কাটাতে এখানে এসেছি। এসে অন্যরকম অনুভূতিতে মন ভরে গেছে। কাশফুলের নরম ছোঁয়ায় মনটাও যেন নরম হয়ে গেছে।
ডুমুরিয়া নির্বাহী কর্মকর্তা বলেন, আমি এখানে নতুন জয়েন করেছি। কাশফুল দেখতে যাওয়া হয়নি। দর্শনার্থীদের যে কোনো সমস্যা মোকাবেলা সব সময় বদ্ধপরিকর।
আপনার মতামত লিখুন :