
উপকূলের প্রতিকুলতা, লবনাক্তা আর প্রাকৃতিক দুর্যোগকে জয় করে টেকসই উন্নয়নের স্বপ্ন বাস্তবায়নে খুলনার দাকোপে পানখালী “এসডিজি ভিলেজ” মডেল গ্রাম পাইলট প্রকল্পের উদ্বোধন হয়েছে।
সোমবার রাজধানীর চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্র থেকে ভার্চুয়ালী যুক্ত হয়ে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান পানখালীকে “এসডিজি ভিলেজ” মডেল গ্রাম হিসাবে উদ্বোধন করেন। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে ভার্চুয়ালী যুক্ত হয়ে কথা বলেন খুলনা জেলা প্রশাসক মিস হুরে জান্নাত এবং কেডিএ চেয়ারম্যান খুলনা মহানগর বিএনপি’র সভাপতি এড. শফিকুল আলম মনা।
অনুষ্ঠানে খুলনা জেলা বিএনপি’র আহবায়ক মনিরুজ্জামান মন্টু, খুলনা জেলা পুলিশ সুপার মোহাম্মদ তাজুল ইসলাম, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক সার্বিক বিতান কুমার মন্ডল, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক উন্নয়ন ও মানবসম্পদ ব্যবস্থাপনা ইরুফা সুলতানা, দাকোপ উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোঃ বোরহান উদ্দিন মিঠু, উপজেলা সহকারী কমিশনার ভূমি, খুলনা জেলা বিএনপি’র সাবেক যুগ্ম-আহবায়ক আশরাফুল আলম নান্নু, জেলা বিএনপি’র সদস্য শাকিল আহমেদ দিলু, জিএম রফিকুল হাসান, চালনা পৌরসভা বিএনপি’র সাবেক আহবায়ক শেখ মোজাফ্ফার হোসেন, সাবেক সদস্য সচীব আলামিন সানা, পানখালী ইউপি চেয়ারম্যান শেখ সাব্বির হোসেন, সংশ্লিষ্ট ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য মোস্তাফিজুর রহমান মোস্তাক, শহিদুল ইসলামসহ প্রশাসনের বিভিন্ন স্তরের কর্মকর্তা, জনপ্রতিনিধি, রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ ও সুধীজন উপস্থিত ছিলেন।
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা (এসডিজি) অর্জনের লক্ষ্যে খুলনার উপকূলীয় অঞ্চল দাকোপ উপজেলার পানখালী গ্রামকে ‘এসডিজি ভিলেজ’ হিসেবে আনুষ্ঠানিকভাবে উদ্বোধন ও ঘোষণা করায় খুলনা জেলা বিএনপি নেতৃবৃন্দ গভীর আনন্দ প্রকাশ ও প্রাণঢালা শুভেচ্ছা-অভিনন্দন জানিয়েছেন। গতকাল সোমবার প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে বিএনপি চেয়ারম্যান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে উষ্ণ অভিনন্দন ও কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে জেলা বিএনপি’র আহবায়ক মোঃ মনিরুজ্জামান মন্টু এবং সদস্য সচিব (ভারপ্রাপ্ত) ও জেলা পরিষদের প্রশাসক এস এম মনিরুলহাসান বাপ্পী যৌথ বিবৃতি দিয়েছেন।
বিবৃতিতে নেতৃবৃন্দ বলেছেন, রাজধানীর চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্র থেকে ভার্চুয়ালি যুক্ত হয়ে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান দেশের তিনটি গ্রামকে ‘এসডিজি ভিলেজ’ পাইলট প্রকল্পের আওতায় এনেছেন, তারমধ্যে খুলনার দাকোপের পানখালী গ্রাম অন্তর্ভুক্ত থাকায় খুলনাবাসী অত্যন্ত গর্বিত ও উচ্ছ্াসিত। বর্তমান সরকার দেশের টেকসই উন্নয়নে অর্থনৈতিক কৌশল পুনর্র্নিধারণ শীর্ষক এই যুগান্তকারী উদ্যোগের ফলে পানখালী গ্রামের দীর্ঘদিনের নদী ভাঙন সমস্যা নিরসন, কৃষি জমির যথাযথ ব্যবহার, দারিদ্র্য বিমোচন, মানসম্মত শিক্ষা ও আধুনিক স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিতকরণ, বিশুদ্ধ পানীয় জল এবং স্যানিটেশন ব্যবস্থার অভূতপূর্ব উন্নয়ন সাধিত হবে বলে প্রত্যাশা ব্যক্ত করেছেন নেতৃবৃন্দ।
খুলনা জেলা বিএনপি বিশ্বাস করে, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের দূরদর্শী ও জনবান্ধব নেতৃত্বে এসডিজি’র ১৭টি লক্ষ্য সফলভাবে বাস্তবায়নের মাধ্যমে দেশের পিছিয়ে থাকা জনপদগুলো আধুনিক ও স্বনির্ভর মডেল গ্রামে রূপান্তরিত হবে। এটি শুধু পানখালী গ্রামবাসীর জন্যই নয়, বরং পুরো খুলনাঞ্চলের মানুষের জন্য এক ঐতিহাসিক প্রাপ্তি। এসডিজি’র মুখ্য সমন্বয়ক (খুলনা বিশ^বিদ্যালয়ের) আন্তর্জাতিক খ্যাতিসম্পন্ন শিক্ষক অধ্যাপক ড. এস এম আব্দুল আওয়াল এঁর অসামান্য পরিশ্রমের জন্য কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন বিএনপি নেতৃবৃন্দ। একই সাথে উন্নয়ন ও উৎপাদনের অগ্রনায়ক জননেতা তারেক রহমানের এই জনকল্যাণমূলক ও সময়োপযোগী পদক্ষেপের জন্য খুলনা জেলা বিএনপি এবং অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের সকলস্তরের নেতাকর্মীর পক্ষ থেকে তাঁর সুস্বাস্থ্য ও দীর্ঘায়ু কামনা করাসহ সশ্রদ্ধ ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপন করা হয়েছে।
আপনার মতামত লিখুন :